জীবনের গল্প

 আমি  আমার  জীবনের  গল্প বলতে  এসেছি।   আমি শিমলা বয়স  ২০। আমরা ৫ ভাই  বোন।  আমি  সবার   বড়। আমাদের  পরিবারে ১২জন  সদস্য । সবাই আমাকে আনেক ভালোবাসে। আমাকে বেশী ভকলোবাসতো আমার ঠাকুর দাদা। আমরা সব ভাই বোন আমার ঠাকুর দাদা কে ভালোবেসে দাদা বলে ডাকতাম। দুঃখের বিষয় হলো আমার দাদা আর এই পৃথিবীতে নেই 😭আমার পরিবারের বটগাছটা আর নেই। আমি যখন চতুর্থ শ্রেণীতে উঠে ছিলাম ভালো রিজার্ট করে তখন আমার দাদা আমাকে বই পরার জন্য একটা টেবিল কিনি আনে । সবার মা বাবা তার ছেলে মেয়েদের রিজাল্ট আনতে স্কুলে যায় কিন্তু আমার রিজাল্ট আনতে আমার দাদা যেতো। আমার দাদা কেস্নার রোগে মারা যায়।যখন বাড়িতে সবাই জনতো তখন আমাকে আর আমার ঠাম্মাকে কেউ জানায়নি কিন্তু যখন আমি জানতে পারি তখন আমাকে কে সামলায়,আমার বাবা ও ভেঙ্গে পড়ে। আমার  বাবা চোখে দেখতে পারে না কারণ আমার বাবা ছোটো থাকতে বাবার চোখে ফুটন্ত চুন লাগে যার ফেলে বাবা দেকতে পাই না। ডাক্তার বলেছিলো যে চোখ দিতে হবে কিন্তু তখন চোখ কোথায় পাবে কেবা দেবে আর টাকার ও অনেক দাম ছিলো আর আমরা তো অত বড়লোক না তাই টাকার অভাবে বাবার চোখ ঠিক হয়নি। দাদা মারা যাবার পরে বাবাই সব দেখা শুনা করে বাবার সাথে সব সময় মা থাকে। বাবা কষ্ট করে লেখা পড়া শেখাচ্ছে। আমার দাদা বেঁচে থাকা কালিন আমাদের পরিবার খুব আনন্দে থাকতো।পরিবাবরের প্রতিটি মানুষ হাস খুসি ছিলো। আমার দাদা বেশী একটা বাড়ি থাকতো না বেশির ভাগ সময় ঘেরে থাকতো। আমার দাদা পান খেতে ভালো বাসতো, বই পড়তে ভালো বাসতো, গান গাইতে ভালোবাসতো, আমার দাদা ভালো ভকলো গান ও গাইতো। আর যখন বাড়ি আসতো তখন আমার দাদা গল্প শুনাতো।।আমার দাদার বলা একটা  গল্পের  নাম হলো "কালা দাদা" 


Comments